পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, “অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য কোথা থেকে আবেদন করব?”, “অনলাইনে আবেদন করা যাবে কি?”, অথবা “কোন কোন নথি লাগবে?”। এই ব্লগে সহজ ভাষায় সেই সমস্ত তথ্য তুলে ধরা হলো।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প কী?
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি মহিলা কল্যাণমূলক প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ₹৩,০০০ করে আর্থিক সহায়তা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
সাধারণভাবে আবেদনকারীদের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- আবেদনকারী মহিলা হতে হবে।
- বয়স সাধারণত ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- সরকারি চাকরিজীবী বা নিয়মিত সরকারি পেনশনভোগী হলে সাধারণত যোগ্যতা থাকবে না।
কোথা থেকে আবেদন করবেন?
১. অনলাইনে আবেদন
সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করার সময় সাধারণত আধার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, মোবাইল নম্বর এবং ঠিকানার প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে।
২. অফলাইনে আবেদন
যারা অনলাইনে আবেদন করতে অসুবিধা অনুভব করেন, তারা নিম্নলিখিত কেন্দ্রগুলিতে যোগাযোগ করতে পারেন—
- দুয়ারে সরকার ক্যাম্প
- BDO অফিস
- SDO অফিস
- পৌরসভা অফিস
- অন্যান্য অনুমোদিত সরকারি সহায়তা কেন্দ্র
এসব জায়গা থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যায়।
কী কী নথি লাগবে?
আবেদনের সময় সাধারণত নিম্নলিখিত নথি প্রয়োজন হতে পারে—
- আধার কার্ড
- ভোটার কার্ড বা বাসস্থানের প্রমাণপত্র
- রেশন কার্ড
- ব্যাংক পাসবুকের কপি
- মোবাইল নম্বর
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি (যদি প্রয়োজন হয়)
লক্ষ্মীর ভান্ডারের উপভোক্তাদের কি আবার আবেদন করতে হবে?
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে পূর্বের লক্ষ্মীর ভান্ডার উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করতে নাও হতে পারে এবং তাঁদের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তরিত হতে পারে। তবে সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী চূড়ান্ত নিয়ম যাচাই করা উচিত।
প্রতারণা থেকে সাবধান
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট ও অনলাইন ফর্মের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনাও সামনে এসেছে। তাই—
- OTP কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
- শুধুমাত্র সরকারি পোর্টাল বা সরকারি ক্যাম্পের মাধ্যমেই আবেদন করুন।
- অজানা লিঙ্কে ক্লিক করবেন না।
