Updated By Abp Ananda
Khidirpur Fire Incident: 'মমতা সবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি..', খিদিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে 'ম্যান মেড' তত্ত্ব শুভেন্দুর, 'পরিকল্পনামাফিক আগুন লাগানো হয়েছে..' !
Suvendu Attacks Mamata On Khidirpur Fire Incident :খিদিরপুরের অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত প্রায় ১৩০০ দোকান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব ঘিরে বড় প্রশ্ন ব্যবসায়ীদের, এবার ঘটনাস্থলে এসে কী তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু,
শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে তো বলেছিল 'বাংলার মেয়ে।' কেন মুখ্যমন্ত্রীকে কাল ১ হাজার পুলিশ নিয়ে এসে, বক্তব্য রাখতে হয়েছে ? ধমকাতে হয়েছে ? কেন ধমকাবেন ? মুখ্যমন্ত্রী তো সবার। এখানে হিন্দু আছে। মুসলমানও আছে। বিজেপিও আছে। সিপিএমও আছে। টিএমসিও আছে। আমাকে তো কেউ বলেনি, যে আপনি রাজনীতি করতে এসেছেন। মানুষের আস্থা উঠে গেছে। তাই তিনি সকলের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। তিনি গরীব ব্যবসায়ীদের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি।' এরপরেই বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী দলনেতার, তাঁর কথায়,' রাত ১টায় আগুন লাগল। দমকল এল ভোর ৪টেয়। প্ল্যানিংটা আপনি জানেন। ..গোটা এলাকা বেচে দিয়েছেন। চিড়িয়াখানা বেচে দিয়েছে। বাকি আছে আপনাদের এই এলাকা।মুখ্যমন্ত্রী কাল এসে প্রথমেই বললেন আপনাদের জন্য তো জায়গা ঠিক করা হয়েছে..।' এরপরেই পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের অভয়বার্তা শুভেন্দুর , ' আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি জমি রক্ষার আন্দোলনে আমি ডক্টরেট। '
সাংবাদিক: ব্যবসায়ীরা বলছেন ২০২২ সালে কর্পোরেশন এটা নিয়েছে। তারপর এখনও তাঁদের বৈধতা..
শুভেন্দু অধিকারী: ৪ বছর নিয়েই সেটেলড হয়ে গেছে। এক্সচেঞ্জ অব স্যুটকেস। ..এরা উঠবে না। অবস্থান ধর্ণা চলবে। আমরা আছি।
সাংবাদিক: ব্যবসায়ীদের অনেকে ষড়যন্ত্রর..
শুভেন্দু অধিকারী: (কথা শেষ করার আগেই) অনেকে না, সবাই বলছে।..মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়জানলেন কীকরে , আগুন লাগবে ? নতুন জায়গা ঠিক হয়ে গেল ! (ভস্মীভূত দোকানগুলিকে দেখিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গ) এই দোকানগুলি ১ লাখ টাকা ? ২৫ লাখ টাকা করে দিন।...(কিছুটা থেমে) তৃণমূলের এখন নতুন নাম টাকা মারা কোম্পানি।
মূলত,খিদিরপুর বাজারে বিধ্বংসী আগুনে প্রায় তেরোশো দোকান ভস্মীভূত হয়ে গেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, উনি বলছেন ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। যেই দোকান পুরো জ্বলে গিয়েছে। আর যেটা অর্ধেক জ্বলে গিয়েছে, ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এখানে উনি একটা জায়গা ঠিক করে রেখেছেন, সেটা উনি বললেন না। তো আগে থেকে জায়গাটা ঠিক কীকরে হয়ে গেল ? সাহায্য করবেন। করে ছেড়ে দেবেন। বলবেন যে, অন্য জায়গায় চলে যেতে আমরা চলে যাব ? আমাদের জায়গা আমরা ছাড়ব না। পয়সা দিচ্ছে নাকি ভিক্ষা দিচ্ছেন ? কোন দাবি রাখার সুযোগই পাইনি', বিস্ফোরক অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
