Sonali Bendre: ‘সলমনকে বুঝতে ভুল করেছিলাম, অথচ জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে…’, অকপট স্বীকারোক্তি সোনালি বেন্দ্রের

 Sonali Bendre: ‘সলমনকে বুঝতে ভুল করেছিলাম, অথচ জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে…’, অকপট স্বীকারোক্তি সোনালি বেন্দ্রের



Salman Khan: সলমনের বিপরীতে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবিতে কাজ করেছিলেন সোনালি।

মুম্বই: সুখের সময় পাশে না পেলেও, দুঃখের সময় তিনি এসে হাজির হন বলে প্রচলিত রয়েছে বলিউডে। অভিনেতা সলমন খানকে নিয়ে আবারও তেমনই কাহিনি তুলে ধরলেন অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে। জানালেন, সলমনের সঙ্গে একসময় মোটেই সুসম্পর্ক ছিল না তাঁর। কিন্তু তিনি যখন ক্যান্সারের সঙ্গে যুঝছেন, নিজে থেকে ছুটে গিয়েছিলেন, অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন সলমন। (Sonali Bendre)

সলমনের বিপরীতে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবিতে কাজ করেছিলেন সোনালি। কিন্তু সতীর্থের সঙ্গে সখ্য হয়নি তাঁর। বরং সলমন সবসময় যে ছেলেমানুষি করতেন, তাতে খানিকটা অসন্তুষ্টই হন সোনালি। এমনকি ওই ছবির শ্যুটিংয়ের সময়ই কৃষ্ণসার হরিণ মামলায় নাম জড়ায় সলমনের,যার জন্য আইনি টানাপোড়েনে পড়তে হয় সোনালিকেও। একসময় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানেও সেই নিয়ে টিপ্পনি করতে শোনা গিয়েছিল সোনালিকে। (Salman Khan)

কিন্তু সলমনকে তিনি বুঝতে ভুল করেছিলেন বলে স্বীকার করলেন সোনালি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সেই নিয়ে খোলাখুলি নিজের মনের কথা তুলে ধরেছেন নায়িকা। জানিয়েছেন, ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শ্য়ুটিং চলাকালীন সলমনের সঙ্গে একেবারে বনিবনা হতো না তাঁর। সলমন সারাক্ষণ ছেলেমানুষি করে বেড়াতেন, ভেঙাতেন, যা একেবারেই না পসন্দ ছিল তাঁর। সময়ের সঙ্গে সলমনকে বুঝতে পেরেছেন তিনি। সলমনের চরিত্রের দু'রকম দিক রয়েছে, সেই সময় যা বুঝতে পারেননি। পরে ভুল ভাঙে। সলমন একেবারে শিশুসুলভ বলে মত তাঁর।

কিন্তু ২০১৮ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর সলমন সম্পর্কে তাঁর ধারণা একেবারে পাল্টে গিয়েছে, সলমনকে নতুন করে সম্মান করতে শিখেছেন বলে জানিয়েছেন সোনালি। তিনি জানিয়েছেন, ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে নিউ ইয়র্ক চলে গিয়েছিলেন। তিনি যখন রোগের সঙ্গে যুঝছেন, তাঁর স্বামী যখন হয়রান হচ্ছেন, সেই সময় হঠাৎই নিউ ইয়র্কে হাজির হন সলমন। সেই সময় সলমনের এমন রূপ দেখেন, তা আগে কখনও দেখেননি বলে জানান সোনালি।

সংবাদ সংস্থা ANI-কে সোনালি জানিয়েছেন, তিনি কেমন আছেন, শুধু তা জানতেই দু’-দু’বার নিউ ইয়র্কে হাজির হন সলমন। নিয়মিত তাঁর স্বামীকে ফোন করতেন সলমন। সঠিক চিকিৎসকের হাতে পড়েছি কি না, আমার শরীরে একটুও উন্নতি চোখে পড়ছে কি না, জানতে চাইতেন নিয়ম করে। এমনকি নিজে সেরা চিকিৎসকদের তালিকা পর্যন্ত পাঠাতেন ফোন নম্বর-সহ। ওই কঠিন সময়ে সলমন রীতিমতো তাঁদের অভিভাবক হয়ে ওঠেন বলেও জানিয়েছেন সোনালি। 

সোনালি জানিয়েছেন, একেবারে সেরা চিকিৎসা হয়েছে কিনা, কোথাও কোন খামতি রয়েছে কিনা, একেবারে খুঁটিনাটি জানতে শুরু করে সলমন। কোথাও কোনও ত্রুটি নেই জেনে তবেই শান্ত হয়। নায়িকার বক্তব্য, “এতেই বোঝা যায় সলমন কতটা সংবেদনশীল, কতটা যত্নশীল।”

Previous Post Next Post