Malda Business Murder: কাকিমার সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কের জেরেই কি নৃশংস ভাবে খুন হতে হল মালদার যুবক-ব্যবসায়ী সাদ্দামকে? তদন্তে পুলিশ

Malda Business Murder: কাকিমার সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কের জেরেই কি নৃশংস ভাবে খুন হতে হল মালদার যুবক-ব্যবসায়ী সাদ্দামকে? তদন্তে পুলিশ



Malda Businessman Murder: ঠিক কী কারণে এমন নৃশংস ভাবে খুন করা হল সাদ্দামকে, শুধুই কি মৌমিতা নাকি আরও কেউ জড়িত রয়েছেন এই ঘটনায়, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে চলেছে পুলিশ। 


করুণাময় সিংহ, মালদা : মালদার নিখোঁজ ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে। যুবককে খুন করে দেহ দেওয়ালে পুঁতে প্লাস্টার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাকিমার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ছিল, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কোনও কারণেই সাদ্দাম নাদাবকে খুন হতে হয়েছে কাকিমা মৌমিতার হাতে। তবে আর কোনও কারণ এই খুনের পিছনে ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছিল পুলিশ। সূত্রের খবর, কাকিমার সঙ্গে এই যুবকের প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল, এমন তথ্য শোনা যাচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এর জেরেই যুবককে খুন হতে হয়েছে কিনা, আর কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। মৃত যুবকের পরিবারের অনেকেরই অভিযোগ, শুধু মৌমিতা নন, সাদ্দামের খুনের ঘটনায় যুক্ত রয়েছেন আরও অনেকেই। তাঁদের অভিযোগ এটি পরিকল্পিত ঘটনা। সবদিক খতিয়ে দেখতে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। 
গত ১৮ মে নিখোঁজ হয়েছিলেন মালদার যুবক সাদ্দাম। ভিনরাজ্যে শ্রমিক সংগ্রহকারী ঠিকাদার ছিলেন তিনি। এই যুবক নিখোঁজের পর ইংরেজবাজার থানায় মিসিং ডায়েরি করে সাদ্দামের পরিবারের লোকজন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মালদার ইংরেজবাজারেই কাকু, কাকিমার বাড়িতে থাকতেন সাদ্দাম। পুলিশি তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, মৌমিতার স্বামী অর্থাৎ সাদ্দামের কাকা কোনওভাবে এই খুনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কিনা। কারণ মৃত যুবকের পরিবারের তরফে সাদ্দামের কাকার বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে। সাদ্দাম নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও যুবকের খোঁজ মেলেনি। এমনকি তাঁর ফোনের হদিশও পায়নি পুলিশ। সাদ্দামের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই মৌমিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। প্রথমে পুলিশকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিলেও পরে জেরায় ভেঙে পড়েন মৌমিতা এবং সাদ্দামকে খুনের কথা শিকার করেন, এমনটাই দাবি করা হয়েছে পুলিশ সূত্রে। 

দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে মৌমিতার বাপের বাড়ি। সেখানেই সাদ্দামকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে। তারপর দেওয়ালে দেহ গেঁথে প্লাস্টার করা হয়েছে। সাদ্দামের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। গলাতেও আঘাত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। এই হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর, দুই জেলাতেই। ঠিক কী কারণে এমন নৃশংস ভাবে খুন করা হল সাদ্দামকে, শুধুই কি মৌমিতা নাকি আরও কেউ জড়িত রয়েছেন এই ঘটনায়, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে চলেছে পুলিশ। 


Previous Post Next Post