100 Days Work: ‘কোনও প্রকল্পকে ঠান্ডা ঘরে পাঠানো যায় না’, অবিলম্বে ফের ১০০ দিনের কাজ চালু করুন, কেন্দ্রকে নির্দেশ হাইকোর্টের
MGNREGA in West Bengal: MGNREGA প্রকল্পের আওতায় ১০০ দিনের কাজ গ্রামাঞ্চলে রোজগারের সুযোগ সৃষ্টি করে।
MGNREGA প্রকল্পের আওতায় ১০০ দিনের কাজ গ্রামাঞ্চলে রোজগারের সুযোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের টানাপোড়েনে সেই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকা আটকে যায়। বিজেপি নেতৃত্ব প্রকাশ্যেই জানান, তাঁরাই কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছেন। কেন্দ্রের টাকা নয়ছয় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। সেই থেকে গত তিন বছর ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার সেই নিয়েই কড়া নির্দেশ দিল আদালত। (MGNREGA in West Bengal)
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম পরিষ্কার ভাষায় বলেন, "কোনও কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে অনন্তকালের জন্য ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না।" আদালত জানিয়েছে, দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে প্রয়োজনে যে কোনও ধরনের শর্ত আরোপ করতে পারবে কেন্দ্র। শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ শর্তও আরোপ করা যাবে। কেন্দ্র চাইলে নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে সরাসরি ব্যক্তিবিশেষের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাক। জেলায় জেলায় নজরদারির পাশাপাশি, দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তদন্তও করাতে পারে। কিন্তু প্রকল্প আটকে রাখা যাবে না। ১ অগাস্ট থেকে রাজ্যে ফের ১০০ দিনের কাজ চালু করতে হবে।
গত তিন বছর ধরে কেন্দ্র ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে বলে বরাবর অভিযোগ তুলে এসেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়, বার বার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি ছিল, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরই রাজ্যের টাকা আটকে রেখে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও সরব হন অভিষেক। টাকা দিয়ে থাকলে কেন্দ্র শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক বলে দাবি তোলেন তিনি।
সেই আবহে রাজ্যের তহবিল থেকে শ্রমিকদের টাকা মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। সেই মতো ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু করে রাজ্য। কিন্তু রাজনৈতিক টানাপোড়েনে কেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে থাকবে, কেন রাজ্যকে নিজের তহবিল থেকে টাকা দিতে হবে, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। চারটি জেলা থেকে দুর্নীতির অভিযোগ এলে, গোটা রাজ্যের টাকা কেন বন্ধ করা হল, তা নিয়ে আজও প্রশঅন ওঠে আদালত। কেন তিন বছরের বেশি সময় ধরে টাকা বন্ধ, ওঠে প্রশ্ন। এদিন আদালত সেই নিয়েই নিজের সিদ্ধান্ত জানাল।
