LPG Gas: গ্যাস সিলিন্ডারের ভর্তুকি পাচ্ছেন? সবাইকে এই কাজ করতে হবে! জানুন সরকারের নতুন নির্দেশ!
এই চাহিদার সুযোগ নিয়েই গ্যাস কোম্পানিগুলো একের পর এক দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছুদিন আগে গ্যাসের দাম বাড়তে বাড়তে পৌঁছে গিয়েছিল ১,১০০/- টাকার কাছাকাছি। এখন যদিও সেই দাম অনেকটাই কমেছে। কমে এখন গ্যাস বিকোচ্ছে ৮০০/- টাকার আশেপাশে।
বর্তমানে কি কি চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে? সেরা ৫টি সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি।
গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনকারী (Gas Distributor) প্রচুর সংস্থা এখানে রয়েছে। কেউ ব্যবহার করেন
ইন্ডেন (Indane Gas) কিংবা এইচপি (HP Gas) আবার কেউ ব্যবহার করেন ভারত গ্যাস (Bharat Gas) কিংবা হিন্দুস্তান গ্যাসের (Hindusthan Gas) মতো বিভিন্ন কোম্পানির সিলিন্ডার। তবে এখন সবচেয়ে মজার বিষয় হলো রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য সরকারের তরফ থেকে ভর্তুকীর (Subsidy) নির্দেশ দেয়া রয়েছে।প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা ভালো দেশে মোট দুই ধরনের গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। একটি ঘরোয়া রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় আর অন্যটি ব্যবহার করা হয় ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত কাজে অর্থাৎ বিভিন্ন হোটেল কিংবা রেস্তোরায়। সাধারণ মানুষেরা যে গ্যাস ব্যবহার করে থাকেন তা ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার বা ডোমেস্টিক সিলিন্ডার (Domestic Cylinder) নামে পরিচিত।
যেগুলো ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় সেগুলো কমার্শিয়াল গ্যাস সিলিন্ডার (Commercial Gas Cylinder) নামেই পরিচিত। ঘরোয়া রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন হয় ১৪.২ কেজি সেখানে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন হয় ১৯ কেজি পর্যন্ত। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই নিজেদের ইচ্ছামত সস্তায় রান্নার গ্যাস ব্যবহার করে চলেছেন।
\যার ফলে একাধিক বাণিজ্যিক গ্যাসের ব্যবসা লাটে উঠেছে। তাই সাধারণ স্বাচ্ছন্দের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ঘরোয়া রান্নার গ্যাস এর দাম কমানো হলেও এইভাবে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের পরিবর্তে ঘরোয়া রান্নার সিলিন্ডার ব্যবহার করাতে বেশ বিপত্তি হচ্ছে।
যার ফলে করা পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র। মূলত ৮ মাস ধরে চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের বায়োমেট্রিকের (Biometric) বিশেষ প্রক্রিয়া। ভুয়ো গ্রাহকদের হাতেনাতে ধরতেই এই কাজ করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিকের কাজ যারা করছেন না ডিস্ট্রিবিউটার টাই তাদেরকে ডেকে এনে গ্যাস কানেকশনের (Gas Connection) সঙ্গে লিংক করিয়ে নিচ্ছেন।
জানা যাচ্ছে যারা ভর্তুকি পাচ্ছেন না তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলেও চলবে। ভর্তুকি সংক্রান্ত একটি গিভ আপ ফর্ম ফিলাপ করতে হবে তাদেরকে। সম্প্রতি এই রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফ থেকেও।
জানা গিয়েছে যদি কেউ সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ব্যবসার কাজে বাণিজ্যিক গ্যাসের পরিবর্তে ঘরোয়া রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করেন তাদের ডিস্ট্রিবিউটররাই বিপদে পড়বেন। তাই ডিস্ট্রিবিউটারদেরই উচিত তাড়াতাড়ি তাদের কাছে গিয়ে এই বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে আসা। তবে কেউ যদি চান তাহলে বাড়িতে বসেই নিজের তথ্য যাচাই করে নিতে পারবেন।
