Samudrasathi Prakalpa 2024: মুখ্যমন্ত্রীর নতুন স্কিম, দু’মাস নেই কোনও চিন্তা! এই স্কিমে ১০,০০০/- টাকা দেওয়ার ঘোষণা

 Samudrasathi Prakalpa 2024: মুখ্যমন্ত্রীর নতুন স্কিম, দু’মাস নেই কোনও চিন্তা! এই স্কিমে ১০,০০০/- টাকা দেওয়ার ঘোষণা



Samudrasathi Prakalpa 2024: মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে চালু করেছেন একাধিক প্রকল্প। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় লক্ষ্মীর ভান্ডার। সম্প্রতি মৎস্যজীবীদের কথা মাথায় রেখে তিনি সামনে এনেছেন নতুন প্রকল্প। প্রকল্প অনুযায়ী উল্লেখ করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতের তাঁদের কোন অসুবিধা না হয় সেই দিকে নজর রাখা হবে। দেওয়া হবে আর্থিক সাহায্য।

রা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন? কিভাবে প্রকল্পের আবেদন করবেন? কি কি প্রয়োজনীয় নথিপত্র লাগবে? এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড কি চাওয়া হয়েছে? সমস্ত কিছুই আজকের প্রতিবেদনে রইল বিস্তারিত। তাই একটু স্কিপ না করে পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন শেষ পর্যন্ত।

কারা এই সুবিধা পাবেন?

এই প্রকল্প অনুযায়ী জন্য যাচ্ছে যাঁরা যাঁরা সামুদ্রিক মৎস্যজীবী রয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না অনেকদিন ধরেই, তাঁদের দেওয়া হবে এই টাকা।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য?

মৎস্যজীবীদের জীবন ধারণের সাহায্যে জন্য মাথাপিছু প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা করে সাহায্য দেওয়া হবে। এই সাহায্য পাওয়া যাবে একটানা দু’মাস।

চলতি বছরে বাজেট পেশ করার সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, উত্তর ২৪পরগণা, দক্ষিণ ২৪পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের মৎস্যজীবীদের এই সময়ে সময়ে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়।

সমুদ্র সাথী প্রকল্পে আবেদনের জন্য যোগ্যতা কী?

আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক এবং সঙ্গে হতে হবে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। অবশ্য‌ই পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এই তিনটি জেলার মৎস্যজীবী ও এখানে আবাসিক হওয়া বাঞ্ছনীয়। একজন আবেদনকারীর কম করে বয়স ২১ বছর হতে হবে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র কী কী লাগবে?

  • আবেদন পত্র
  • আধার কার্ড
  • ভোটার কার্ড
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য
  • মৎস্যজীবীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড
  • পরিচয় পত্র

কীভাবে আবেদন করবেন?

এই প্রকল্প অনুযায়ী একসঙ্গে দু’মাসের সুবিধা পাওয়ার যাবে। তার জন্য ‘নিদর্শ-১’ পূরণ করে দরখাস্ত করতে হবে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে। মৎস্য দফতরের-এর ওয়েবসাইটের পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনীয় এসব কাগজপত্র, তথ্য এবং নিজের ছবি ওই নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন পত্রের সঙ্গে আপলোড করে দিতে হবে সাবধানে যাতে কোনো ভুল না হয়। এছাড়াও ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিকের কাছে গিয়েও এই আবেদন পত্র জমা দিতে পারবেন আবেদনকারী।

তবে মনে রাখতে হবে যে যেভাবেই জমা দেওয়া হোক না কেন, একটি রসিদ বা জমা দেওয়ার প্রমাণ রাখতে হবে নিজের কাছে। এই প্রকল্পের অধীনে জমা পড়ার পর তদন্ত হবে যদি আবেদনকারী যোগ্য বলে প্রমাণিত হন তাহলে পেয়ে যাবেন আর্থিক সাহায্য।


Previous Post Next Post